বাংলাদেশ রেলওয়ে জাদুঘর, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম
এটি বাংলাদেশের একমাত্র রেলওয়ে জাদুঘর। চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার রেলওয়ে ওয়ার্কশপের কাছেই জাদুঘরটি অবস্থিত।
এখানে রেলওয়ের পরিবর্তন ও আধুনিকায়নের শত বর্ষের পুরনো স্মৃতি সংরক্ষিত আছে। দক্ষিণমুখী এক ব্যতিক্রমী নকশার কাঠের বাংলোয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এই জাদুঘর। এক কথায় রেলওয়ের অতীত ও বর্তমান ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির সুন্দর ধারনা পেতে ও বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাস জানতে যেতে হবে জাদুঘরটিতে।
শুক্রবারসহ সপ্তাহের প্রতিদিন ৩টা হতে ৬ টা পর্যন্ত এই জাদুঘরটি খোলা থাকার কথা। তবে দুঃখের বিষয় হলো জাদুঘরটি এখন প্রায় প্রতিদিনই বন্ধ থাকে। স্থানীয়রাও বলতে পারেন না এটি খোলার সঠিক দিনক্ষণ। তাই আমাদের হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হলো৷ জাদুঘরের বাইরে থেকেই সিএনজিওয়ালা মামুর সাথে কয়েকটা ছবি তুলে চলে এলাম।
আশা করছি কর্তৃপক্ষ জাদুঘরটির উপর বিশেষ নজর দিবেন এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে তাদের কথামত প্রতিদিন যথা সময়েই খুলে দিবেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের ইতিহাস অনেক পুরনো। সেই ব্রিটিশ আমল থেকে প্রতিষ্ঠানটি চলছে। ১৮৬২ সাল থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ রেলের অনেক যন্ত্রাংশ আর আগের মত নেই। থাকার কথাও না। অনেক পরিবর্তন হয়েছে যন্ত্রপাতির। তাছাড়াও অনেক যন্ত্রাংশ বিকল হয়েছে। কিন্তু বিকল হলেতো আর সে সব ফেলে দেয়া যায় না। ঠিক এই চিন্তা - ভাবনা থেকেই ২০০৩ সালে পাহাড়তলী ওয়ার্ডের রেলওয়ে কেরিজ এন্ড ওয়াগন কারখানার বিপরীত পাশে নয়ন জুড়ানো মন ভুলানো সবুজ প্রকৃতির মাঝে প্রায় ১২ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের একমাত্র রেলওয়ে জাদুঘর। জাদুঘরটিতে দেশের অন্যান্য স্থানের রেলের পরিত্যাক্ত যন্ত্রপাতিও এনে রাখা হয়েছে।
সিআরবি ভবনের পাশের উঁচু পাহাড়ি রাস্তা ধরে কিছুদূর এগিয়ে গেলেই দেখা মিলবে বহুল পরিচিত সেই কাঠের বাংলো। ইতিহাস ও দৃষ্টিনন্দন নির্মাণশৈলীর এক যুগল বন্ধন যেন এই কাঠের বাংলোটি! দক্ষিণমুখী এক ব্যতিক্রমী নকশার কাঠের বাংলোয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এই জাদুঘর। জাদুঘরের মূল গ্যালারিতে ঢুকতেই ফটকের ওপর ড্রাগন খোঁদিত কাঠের গেটে ইংরেজি হরফে লেখা আছে বাংলোর নির্মাণকাল।
ধারণা করা হয়, এখানে রেলওয়ে ভবনগুলোর মধ্যে এটাই সবচেয়ে পুরনো। এই দ্বিতল ভবনটির চতুর্পার্শ্বের পরিবেশও অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
উঁচু টিলার উপর অবস্থিত এই কাঠের বাংলোটি তার মাঝে ধারণ করে আছে রেলের এই ১৫০ বছরের ইতিহাস। সমগ্র বাংলোটি প্রায় ৪২০০ বর্গফুট এবং কাঠের তৈরি দোতালা।
প্রবেশের জন্য নিচ থেকে উঠে এসেছে একটি পাকা সিঁড়ি যার উপরে একপাশে খুব দুর্বল হাতের কাজের একটি বাঘের ভাস্কর্য। এই টিলার পাশে শাহজাহান মাঠের এক কোণায় অবস্থিত ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামের অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর স্মৃতি বিজড়িত ইউরোপিয়ান ক্লাব।
এর ভিতরে রেলের যন্ত্রপাতি চার ভাগে রাখা আছে। বামদিকের গ্যালারিতে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে, ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে, ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ে ও বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন মনোগ্রাম রয়েছে। ডায়নামো, লোকোমোটিভ সেফটি ডিভাইস, ডেডম্যান, এলার্ম বেল স্পিডোমিটার, বিভিন্ন ধরনের লাইট যেমন ঝাড়বাতি, রিনিং ল্যাম্প, গেইট ল্যাম্প, টেইল ল্যাম্প ইত্যাদি রাখা আছে। এছাড়াও রয়েছে রেলওয়ের গার্ডদের ব্যবহার্য যন্ত্রপাতি, ক্যাপ, ডেটিং মেশিন, পিতলের ব্যাজ, গার্ডবোট, হ্যামার ইত্যাদি।
সংকেত বিভাগে সংরক্ষিত যন্ত্রপাতির মাঝে প্রধান প্রধানগুলো হল পয়েন্ট টাইমিং মেশিন, মোর্স কি উইথ সাউন্ডার, আর্ক লিভার, কন্ট্রোল কি, সিগনাল আর্ম, টুলবক্স, বিভিন্ন ধরনের এনালগ টেলিফোন, রোডল টেলিফোন, রেডিও ট্রান্সমিটার, রিসিভার ইত্যাদি।
ভেনসোমিটার, থার্মোমিটার, মেজারিং ক্যান, স্প্যানার সিঙ্গেল, অ্যাডেড বারটমি, মনোরেল হুইল বোরো প্যাকিং লেভেল, ক্যান এ বাউল ইত্যাদি রাখা আছে প্রকৌশল ও ট্রাফিক বিভাগে।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে জাদুঘর সমগ্র বাংলাদেশ রেলের প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাস, কৃষ্টির ধারক ও বাহক। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই জাদুঘরটি হয়ে উঠতে পারে ইতিহাসের একটি...
Read moreVery nice place for refreshing and fun. It was a bungalow before turns to a museum on November 15, 2003, which showcases some of the rich collection of relics, objects used in Assam Bengal Railway (1942), Eastern Bengal Railway (1947) and Pakistan Railway (1961). The preserved artefacts mainly belong to mechanical, electrical, telecommunication, signal, traffic and engineering departments of the Bangladesh Railway. It also includes different kinds of lamps and lights, fans and bells, uniforms and accessories of station masters, signalling equipment, transmitters, analogue telephone, monograms, track switches and...
Read moreIt was closed when we went there on Jan 22, 2018. However, upon further investigation and enquiry, we found out that it is undergoing renovation for the past 2years and will open after renovation is complete. Sadly, they do not know how long it may take for completion :'( Nonetheless, it is situated on top of their hills. So if you are interested to still spend time with your beloved and share open conversation, this is the...
Read more