মনু নদী প্রকল্প হলো বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সর্ব-বৃহত্তম সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রকল্প। এ প্রকল্পটির মাধ্যমে মৌলভীবাজার জেলার দুটি উপজেলার ২২,৫৮০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।[১] এই প্রকল্পটির কাজ শুরু হয় ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে এবং এটি সমাপ্ত হয় ১৯৮২-৮৩ অর্থবছরে। প্রকল্পটির পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্বে রয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ পানি উন্নয়ন বোর্ড। এই প্রকল্পের ফলে বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে জমিতে সেচ কাজও করা সম্ভব হচ্ছে।
মনু নদী প্রকল্প
শুরুমৌলভীবাজার সদর উপজেলাসমাপ্তিরাজনগর উপজেলাদাপ্তরিক নামমনু নদী প্রকল্পরক্ষণাবেক্ষকবাংলাদেশ সরকারবৈশিষ্ট্যমোট দৈর্ঘ্য১৪৫ কিলোমিটার (৯০ মা)ইতিহাসনির্মাণ শুরু১৯৬৯চালু১৯৮৩
অবস্থানসম্পাদনা
মৌলভীবাজার শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়া মনু নদী একটি আন্তর্জাতিক নদী; ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি এলাকা হতে উৎপন্ন হওয়া ১৬৬ কিলোমিটার দৈর্ঘের মনুর ৯৩ কিলোমিটার পড়েছে ভারতে এবং অবশিষ্ট ৭৩ কিলোমিটার বাংলাদেশে রয়েছে যা মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের তেলিবিল এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে কুলাউড়া, রাজনগর ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুশিয়ারা নদীতে গিয়ে মিশেছে।[২] সম্পূর্ণ মনু নদের উপরই এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং এর উভয় তীর সংরক্ষণ করা হয়েছে এর আওতায়।
ইতিহাসসম্পাদনা
বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ পানি উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে এই প্রকল্পটির কাজ শুরু করে এবং ১৯৮২-৮৩ অর্থবছরে এই প্রকল্পটির কাজ সমাপ্ত হয়।[১]
প্রকল্পসম্পাদনা
এটি একটি বহুমুখী প্রকল্প যার অধীনে সেচের পানি সরবরাহের জন্য সেচ খাল খনন; নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ভেড়িবাঁধ নির্মান ও বর্ষা মৌসুমে বা অন্যান্য সময়ে পার্শ্ববর্তী এলাকায় জমে যাওয়া পানি নিষ্কাশনের জন্য রেগুলেটর যুক্ত স্লুইস গেইট নির্মান করা হয়েছে। [১]
গৃহীত পদক্ষেপসম্পাদনা
মনু নদী প্রকল্পের বিভিন্ন ধাপে যেসকল ব্যবস্থাদি গৃহীত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে -
সেচ খাল খনন : মনু নদী থেকে শুষ্ক মৌসুমে পার্শ্ববর্তী এলাকার কৃষি জমির জন্য সেচের পানি সরবরাহ করার লক্ষ্যে বেশ কিছু খাল খনন করা হয়েছে এবং এক্ষেত্রে সেচ প্রকল্পের আওতাভূক্ত জমিতে মনু নদীর পানি গেইট বন্ধ করে হেড আপ করে গ্রাভিটি ফ্লো পদ্ধতিতে এসকল সেচ খালগুলোর মাধ্যমে জমিটিতে পৌছানো হয়।[৩]
ভেড়িবাঁধ নির্মান : মনু নদী প্রকল্পের আওতায় মনু ও কুশিয়ারা নদীতে ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ ভেড়িবাঁধ নির্মিত হয়েছে।[৪] সেচ প্রকল্পের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নির্মিত এই বাধঁ মূলতঃ বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্যে তৈরি করা হয়েছে যার ফলে নদীর পানি বর্ষা মৌসুমে উপচে পার্শ্ববর্তী ভূমিতে প্রবেশ করতে পারে না।
বর্তমান অবস্থাসম্পাদনা
দীর্থদিন যাবত্ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও সময় পরিক্রমায় নদীল নাব্যতার সংকটের কারণে নদীটি বর্তমানে গভীরতা হারিয়েছে, ফলে প্রতিবছরই এর দ্বারা সংলগ্ন এলাকার অধিবাসীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সেচ প্রকল্পের লক্ষ্যও ব্যহত হচ্ছে; যার ফলশ্রতিতে এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে মনু নদে বাঁধ নির্মাণে ১৩০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।[২] ইতিপূর্বেও আরো একটি প্রকল্পের আওতায় বন্যা প্রবণ এলাকা হিসাবে পরিচিতি মৌলভীবাজার ও কুলাউড়া অংশের মনু নদের ২৩ কিলোমিটারে নাব্যতা বৃদ্ধির লক্ষে ২৩ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকায় অপর একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছিলো নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়াধীন...
Read moreIt is a popular destination for locals residing at Moulvibazar. The Monu river itself is a beauty. You can spend afternoon hours here and enjoy the sunset. The barrage is a National Key Point Installation (KPI) and any sort of photography is strictly prohibited here that includes the barrage. But it is a pity to find out that the most of the visiting people are totally unaware of it. There is another park for kids nearby. Overall, it is a good place to spend an afternoon in Moulvibazar....
Read moreYou can hangout with your friend or family. In addition, you can enjoy the walking in a river that is an amazing feeling for me. There is also a park where you can enjoy some ride. Monu bridge is not a extraordinary place but you can definitely enjoy yourself as you will be looking the natural beauty. Some people throw waste there which is not good for the environment and the place also. We must change our habits in order to protect the...
Read more