"চা স্পৃহ চঞ্চল চাতক দল চল চল চল হে। টগবগ উচ্ছল কাথলিতল জল কল কল হে। " র ঠা
রবীন্দ্রনাথ বাংগালিকে চা পানে অভ্যস্ত করে তোলার জন্যে চেষ্ঠা কম করেন নি। তাঁর বড় ভাইয়ের স্টীমারে বিনে পয়সায় চা পান করিয়ে দিতেন যাত্রীদেরকে।ইউরোপে বহু বছর আগে থেকেই কফি বা ওয়াইন বা শ্যাম্পেন পান করানো হতো জাহাজ যাত্রীদের বা হোটেলে পিপাসার্তাদের আগমনের পর।আর অপেরা,থিয়েটার বা ড্রামার পূর্বে মৃদু দ্রাক্ষারসতো স্বর্গীয় অমৃত। বিনে পয়সায় চা পরিবেশন করে করে স্বাগতম জানিয়ে দেবার পরও যখন রবীন্দ্রনাথের বড়দাদার জাহাজে যাত্রী সংখ্যা এতো কমে গেল যে এক পর্যায়ে লালবাতি জ্বলে উঠল তার জাহাজ কোম্পানিতে।
জাপান পরিভ্রমণে রবীন্দ্রনাথ একটি আনুষ্ঠানিকতা শিখে এসেছিলেন সেটা হলো Japanese Tea Ceremony। ছোট বাটিতে চা পান করে পবিত্র ধর্মীয় পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এই Tea Ceremony। সুইডেনে এই জাপানী ধর্মীয় চা পান অনুষ্ঠানের প্রবেশমূল্য এক কথায় শ্বাসরুদ্ধকারী। এই অনুষ্ঠানে চা পান করে কি পূণ্য পাওয়া যায় সেটা আমার বোধগোম্য নয়।
রবীন্দ্রনাথের হয়তো মাথায় চিন্তা এসেছিল শান্তিনিকেতনের অনেক শিক্ষকের মহুয়ানির্যাসের প্রতি অবিচ্ছেদ্য অসক্তি রয়েছে। তাদেরকে চা পানে আসক্ত করতে পারা যেতে পারে।সেটাই মনে হয় রবীন্দ্রনাথের Japanese Tea Ceremony আসল উদ্দেশ্য ছিল। আর বাদবাকিকে বলা যেতে পারে এই টি সিরেমোনি ছিল মহুয়ানির্যাসের Aversion treatment এর প্রচেষ্টা। শুনেছলাম বা পড়েছিলাম রামকিঙ্কর বেইজ দুতোটেই আসক্ত হয়ে পড়েন।
১৯৭৩-১৯৮০ পর্যন্ত বকশীবাজারের ডাঃ ফজলে রাব্বী হলের ৫ নং রুমে বসতো চা বা কফির আড্ডা। কফি কিনতাম,সেই আমলে পাওয়া যেত Finlay Coffee ঔ কফি উতপাদন করা হত চিটাগাং হিল ট্রাকটসে এবং সিলেটে। মেডিকেলের ছাত্রছাত্রীদের পরিবার থেকে একটি অনুদান পেত।সেটা ছিল এক কৌটো হরলিকস কিমবা ওভালটিন পেত বছরে কয়েকবার । আমি আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছিলম পরিবারকে যে ওসব হরলিকস বা ওভালটওন আমার পেটে সহ্য হয় না বরংনচ পারলে এক টিন কফি পঠালে রাত জেগে Anatomy item পড়তে পাড়বো। কফির টিন পাবার পর চলতো সেই ম্যারাথন আড্ডা। ধান্দাবাজিটা অনেকদিন চালাতে পেরেছিলাম।
গত একমাস ধরে ঘরের ছেলেরা ঘরে ফিরেছে। Skanstullএর Coffeehouses by George এ। বিগত বছরগুলোতে আড্ডামারার এই ঠিকানায় এসেছে সৈয়দ জগলুল আলী,মো রাজ্জাক,Nasreen Choudhury,Asif Kabir,Jamil,Rumy Huda,Tahid Rahman,Tauhid এবং আরো অনেকে।
কফিহাউজ বাই জর্জের কর্মচারীরা ৬ জন তরতাজা চা/কফিখোর-ই- আজম মুরাদ,ইফতেখার, ২সেলিম,সিদ্দিক, লতিফ ও আমাকে দেখে বেজায় খুশ।
মনে হলো ঢাকা ইউনিভার্সিটির পাবলিক লাইব্রেরীর উত্তর দিকে শরীফ মিয়ার ক্যান্টিনের কথা।আজকের বাংলাদেশ বরেণ্য কবি-সাহিত্যকদের আড্ডা হতো ওখানে।শরীফ মিয়া বাকীতে চা পরিবেশন একেবারেই করতে চাইতো না।করলেই বলতো," স্যার আগের ২১ টাকা এখনো দ্যান নাই স্যার " একবার কবি বরেণ্য নির্মলেন্দু গুন এমনই এক সমস্যায় পড়েছিলেন। রক্ষাকবচ হিসেবে দাদাকে চা আপ্যায়ন করতে পেরেছিলাম। বাংলাদেশে ও সুইডেনে বা পৃথিবীর প্রায় সবখানেই এখন বাকী তে চা/কফি খাবার নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে। VISA,Master Card এ বাকীতে খেলে এবং বাকীর টাকাটা পরিষোধ দেরিতে করলে সুদে আসলে মাশুল দিতে হয়। আর শরীফ মিয়ার ক্যাফেতে আগেই জানিয়ে রাখতো দন্ডাদেশ।
"শিবঠাকুরের আপন দেশে, আইনকানুন সর্বনেশে। কেউ যদি যায় পিছলে পড়ে প্যায়দা এসে পাকডে ধরে। কাজির কাছে হয় বিচার---- একুশ টাকা দন্ড তার।।" SR
শরীফ মিয়া কি ভাবে জানতেন? "একুশ...
Read moreLets be honest, the main reason and the biggest reason I would recommend coming here is the fantastic views. The pictures don't really do it justice but having the ability to view Stockholm, effectively in 360 degrees, is amazing and for that alone I would suggest coming here. On top of this there is a decent bar here that make good food.
The biggest negative is the cost, effectively it's not somewhere to go to often, you will find yourself blowing through a day income before...
Read moreGreat food, nice selection of bevarages. The view was absolutely gorgeous too, I strongly reccomend booking a time during sunset.
Lovely and helpful staff, but a star removed for the lack of seating despite having a booked table. We had to split our group.
Strong reccomendation for anyone...
Read more